আপীল
মজুরী ও উহার পরিশোধ
ধারা ১৩২ এর অধীন প্রদত্ত শ্রম আদালতের কোন আদেশের বিরম্নদ্ধে উহা প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে ট্রাইবু্যনালে আপীল করা যাইবে।
উপ-ধারা
এ যাহাই থাকুক না কেন, শ্রম আদালতের উক্ত আদেশে প্রদেয় মজুরী বা ৰতিপূরণের পরিমাণ যদি এক হাজার টাকার অধিক না হয় তাহা হইলে মালিক বা মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরম্নদ্ধে কোন আপীল করিতে পারিবেন না এবং যদি মোট দাবীকৃত মজুরী পাঁচশত টাকার ঊধের্্ব না হয় তাহা হইলে কোন শ্রমিক, বা তাহার মৃতু্যর পর তাহার কোন উত্তরাধিকারী অথবা আইনসংগত প্রতিনিধি উক্ত আদেশের বিরম্নদ্ধে কোন আপীল করিতে পারিবেন না।
মালিক বা মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী কোন ব্যক্তি কতর্ৃক কোন আপীল করা যাইবে না, যদি না আপীলের স্মারকের সঙ্গে শ্রম আদালত কতর্ৃক প্রদত্ত এই মর্মে একটি প্রত্যয়ন পত্র সংযুক্ত থাকে যে, আপীলকারী যে অর্থ প্রদানের আদেশের বিরম্নদ্ধে আপীল করিতেছে সেই অর্থ শ্রম আদালতে জমা দিয়াছেন।
এই ধারার অধীন আপীলের ৰেত্র ব্যতীত অন্য সকল ৰেত্রে ধারা ১৩২ এর অধীন শ্রম আদালত কতর্ৃক প্রদত্ত সকল আদেশ চূড়ানত্দ হইবে।
তামাদী আইন, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ৫ এর বিধান এই ধারার অধীন আপীলের ৰেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।